বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের উদ্যোগে ওয়েবম্যাব আয়োজিত ‘গেমিং ইন্ডাস্ট্রি: সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক গেমিং বাজার আজ ৮০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে, যেখানে দক্ষ জনবল ও সঠিক নীতিগত সহায়তা পেলে বাংলাদেশও এই বাজারে বড় অংশীদার হতে পারে। শনিবার বিসিসি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, গেম ডেভেলপার, উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের তরুণদের ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করতে গেমিং শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গেম ডেভেলপমেন্ট, স্টার্টআপ সুযোগ, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, বাজার বিস্তার এবং কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা—সবই এখন বাংলাদেশের সামনে বাস্তবসম্মত সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মশালায় অংশ নেন মোট ৩০ জন অংশগ্রহণকারী।
ওয়েবম্যাব ও বিসিসি জানায়, দেশে গেমিং সেক্টরে দক্ষতা বৃদ্ধি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। তরুণদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা একত্র হলে দেশ এই বিশাল আন্তর্জাতিক বাজার থেকে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব অর্জন করতে সক্ষম হবে।
অন্যদিকে, একই দিনে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ—বিসিআই—নিজেদের বোর্ডরুমে ‘এসএমই ফাইন্যান্সিং: অপরচুনিটি অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে। বিসিআইর সেক্রেটারি জেনারেল ড. মো. হেলাল উদ্দিন, এনডিসি-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ব্যাংক, উইমেন চেম্বার, বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশন ও ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের মোট ৩০ জন প্রতিনিধির অংশগ্রহণ ছিল। বক্তারা জানান, এসএমই খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃত চালিকাশক্তি এবং সহজ অর্থায়ন নিশ্চিত করা গেলে উদ্যোক্তা–নির্ভর অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ আরও শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে পারবে।
কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন বিসিআই পরিচালক ড. দেলোয়ার হোসেন রাজা এবং মিসেস ইসমাত জেরিন খান।